শাড়ি নিয়ে বিপাকে তিশা

তিশা

শাড়ি প্রতারণার মামলাকে ঘিরে ফের আলোচনায় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। গত বছরের নভেম্বরে তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় গত ১২ জুলাই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি করে আগামী ১৩ আগস্ট আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে এতদিন নীরব থাকলেও, সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানের সংবাদ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো মুখ খুলেছেন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলেই এতদিন বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।

বিষয়টি নিয়ে এই ক’দিন চুপ ছিলেন তিশা। গতকাল একটি অনুষ্ঠানের সংবাদ সম্মেলনে মুখ খুলেছেন তিনি। মামলাটি প্রসঙ্গে তিশা জানান, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এ জন্যই এত দিন কিছু বলেননি।

তিশা বলেন, ‘আমি এই ইন্ডাস্ট্রিতে ১২-১৪ বছর কাজ করছি। ভালো-মন্দ মিলিয়ে কাজ করছি। আমার কাজের জায়গাটা কিন্তু আমি ধরে রেখেছি।’

অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি যেদিন আমার সিনেমার শুটিং শুরু করি, তার ঠিক দ্বিতীয় দিনেই লিগ্যাল নোটিশ পাই। তার পাঁচ দিন না ছয় দিনের মাথায় আমার নামে মামলা হয়ে যায়। আমরা একটা কথা বলি না, কেউ যখন ওপরে উঠতে চায়, পেছনে কিছু মানুষ থাকে যারা ওপরে উঠতে পারবে না, পেছন থেকে টেনে ধরে। আমারও ঠিক একই অনুভূতি হয়েছে।’

নিজের ভাবমূর্তির বিষয়ে উল্লেখ করে তিশা বলেন, ‘আমি ১৪ বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছি একটা অনলাইন শপের ২৭ হাজার টাকার শাড়ি মেরে দেওয়ার জন্য? ২৭ হাজার টাকা মেরে দেওয়ার জন্য এত কষ্ট করে নিজেকে একটা জায়গায় দাঁড় করিয়েছি? এক ইন্ডাস্ট্রিতে একটা মেয়ের বা যেকোনো পুরুষতান্ত্রিক সমাজে কাজ করা কি আপনাদের কাছে খুব সহজ মনে হয়? অনেক সহজ কিছু না।’

প্রসঙ্গত, মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, অনলাইনভিত্তিক ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নেন তানজিন তিশা। অভিযোগে বলা হয়, শাড়িটির প্রচারণা এবং মূল্য পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে তিনি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। এ ঘটনায় পেজটির প্রশাসক আমিনুল ইসলাম প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।