কাদিয়ানিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবি বাস্তবায়নে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব: ধর্মমন্ত্রী

ধর্মমন্ত্রী

কাদিয়ানিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবির বিষয়ে সরকারের কাছে উত্থাপিত দাবিগুলো বাস্তবায়নে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানোর কথা জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ এমপি।

শনিবার আন্তর্জাতিক তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশ আয়োজিত জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলনে বিশেষ অতিথির লিখিত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। কাদিয়ানিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন হেফাজতে ইসলামের আমির মহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। শারীরিক অসুস্থতার কারণে ধর্মমন্ত্রী সম্মেলনে সরাসরি উপস্থিত হতে পারেননি। তাঁর লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তাহাফফুজে খতমে নবুওয়তের মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দিন রাব্বানী।

ধর্মমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ইসলামের মৌলিক আকিদা হিসেবে খতমে নবুওয়তের বিশ্বাসের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, হজরত মুহাম্মদ (সা.) সর্বশেষ নবী এবং তাঁর পর কিয়ামত পর্যন্ত আর কোনো নবীর আগমন হবে না-এটি ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসের অংশ।

তিনি বলেন, সম্মেলন থেকে উলামা-মাশায়েখের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে যেসব দাবি উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোর বাস্তবায়নে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থেকে এবং ব্যক্তিগত অবস্থান থেকেও সর্বাত্মক চেষ্টা চালাবেন।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ইসলামি মূল্যবোধসম্পন্ন এবং উলামায়ে কেরামের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও আলেম-উলামার প্রতি আন্তরিক। ফলে সম্মেলন থেকে উত্থাপিত দাবিগুলো সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, কাদিয়ানী সম্প্রদায়কে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা এবং তাদের প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত করার দাবিতে আয়োজিত জাতীয় উলামা-মাশায়েখ সম্মেলনে সরাসরি উপস্থিত থাকার ইচ্ছা ছিল তাঁর। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে চিকিৎসকদের পরামর্শে তিনি সম্মেলনে যেতে পারেননি।

ধর্মমন্ত্রী বলেন, শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকলেও দেশের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরামের এই আয়োজনে যুক্ত হতে পেরে তিনি কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে সম্মেলনে উপস্থিত সবার কাছে তাঁর সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেন।