পুতিন-মোদি বৈঠকে যা হলো

পুতিন-মোদি

২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১০ হাজার কোটি মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে চায় ভারত ও রাশিয়া। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা, জ্বালানি ও বিরল খনিজ উপাদান খাতে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তিন দিনব্যাপী ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সম্মেলনের প্রথম দিনের অধিবেশনের বিরতিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

দুই নেতার বৈঠকেই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়ানো এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতার পাশাপাশি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা করেন ভ্লাদিমির পুতিন ও নরেন্দ্র মোদি।

এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও দপ্তর ক্রেমলিনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট পুতিনের প্রেস সেক্রেটারি দিমিত্রি পেসকভ বলেছিলেন, ভারতের তৈরি ব্রাহমোস ক্ষেপণাস্ত্রকে আরও উন্নত করতে নয়াদিল্লি এবং মস্কো যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ভারতে এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং সু-৫৭ যুদ্ধবিমানের চালান দ্রুত পাঠানোর ব্যাপারেও কাজ করছে মস্কো।

এর আগে গত সপ্তাহেই উজবেকিস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন জোটের সম্মেলনের সময় বৈঠক হয়েছিল পুতিন এবং মোদির মধ্যে। সেই বৈঠকে ইউক্রেনে যতো শিগগির সম্ভব যুদ্ধ থামাতে রুশ প্রেসিডেন্টকে আহ্বান জানিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

আজ শুক্রবার নয়াদিল্লিতে ব্রিকস জোটের যে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেটি এ জোটের ১৮ তম সম্মেলন। ১৩ সেপ্টেম্বর এ সম্মেলন শেষ হবে।
সূত্র : ফার্স্টপোস্ট