গ্যাস নিয়ে বড় সুখবর

গ্যাস

কক্সবাজারের মহেশখালী ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তর শুরু হওয়ার পর জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে। এতে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।

বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মাইনস) প্রকৌশলী মো. শোয়েব জানান, সকাল ৭টা থেকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করে। বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে ২ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। সরবরাহ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, শিল্পকারখানাসহ আবাসিক খাতে গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সাময়িকভাবে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, সকাল ১০টার দিকে জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৩৪১ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় উৎস থেকে ১ হাজার ৬০৩ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আরএলএনজি থেকে ৭৩৮ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ করা হয়।

দুপুর ২টার দিকে মোট গ্যাস সরবরাহ বেড়ে দাঁড়ায় ২ হাজার ৫২৫ মিলিয়ন ঘনফুটে। এ সময় দেশীয় উৎস থেকে ১ হাজার ৬০৭ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আরএলএনজি থেকে ৯১৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়।

পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, ইন্দোনেশিয়া থেকে টোটালএনার্জির মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে কেনা এলএনজিবাহী একটি কার্গো থেকে শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে মহেশখালীর সামিট টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তর শুরু হয়। এরপর ধীরে ধীরে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ বাড়তে থাকে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে আমদানিকৃত এলএনজিবাহী কার্গো থেকে মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তর কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এতে আরএলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের মোট সরবরাহ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কিছুটা কমে যায়।

পেট্রোবাংলা জানিয়েছিল, বঙ্গোপসাগরের আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হলে দ্রুত এলএনজি স্থানান্তর কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে এবং এর সঙ্গে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহও স্বাভাবিক হয়ে আসবে।