দক্ষিণ সিটির মশা নিয়ন্ত্রণে আছে: মেয়র তাপস

দক্ষিণ সিটির মশা নিয়ন্ত্রণে আছে: মেয়র তাপস

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় মশা নিয়ন্ত্রণে আছে বলে জানিয়েছেন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বলেছেন, আমি আগেও বলেছিলাম- ইনশাআল্লাহ আমরা মশা নিয়ন্ত্রণে রেখেই আমরা মৌসুম শেষ করতে পারব। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আনন্দিত।


মেয়র বলেন, যদিও কয়েক দিন ছুটি ছিল, তারপরও আপনারা লক্ষ করবেন মশা কিন্তু সেই পরিমাণে বৃদ্ধি হয়নি। কারণ, আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত ছিল। আমরা ছুটির মধ্যেও কাজ করেছি। যার কারণে আমরা মশা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি।


বুধবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর পান্থকুঞ্জে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মশার উপদ্রপের অভিযোগ তোলায় সুনির্দিষ্ট করে ডিএসসিসির কোন ওয়ার্ডে মশা আছে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে জানতে চান মেয়র তাপস। সাংবাদিকরা তখন জুরাইন ও যাত্রীবাড়ী এলাকায় এখনো মশার উপদ্রপ দেখা যাচ্ছে জানালে মেয়র বলেন, যাত্রীবাড়ী-জুরাইন এলাকায়ও এখন মশা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কিউলেক্স মৌসুম প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।


তাপস বলেন, তারপরও যদি দুই-এক জায়গায় বেড়ে যায়, সেগুলোও নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ব্যবস্থা নেব। একজন কর্মচারী গাফিলতি করতেই পারে। কিন্তু আমরা কঠোরভাবে ব্যবস্থা নেই। যার ফলশ্রুতিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় মশককর্মীরা অত্যন্ত ভালো কাজ করে চলেছেন।


এ সময় মেয়র বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে তার সিটি করপোরেশন প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানান। তিনি বলেন, একদিনে জলাবদ্ধতা নিরসন, অন্যদিকে এডিস মশার বিস্তার রোধে সব প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম আমরা নিচ্ছি। আমরা মে মাস থেকে ঢাকার অংশীজনদের সঙ্গে আমরা মতবিনিময় শুরু করব।


এসময় মেয়র আরও বলেন, পান্থকুঞ্জ উদ্যান এই এলাকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যান। এটা উন্নয়নের জন্য ২০১৭ সালে মেগা প্রকল্পের আওতায় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক কারণে ঢাকা লিমিটেড এক্সপ্রেসওয়ে এদিক দিয়ে নেওয়ার একটি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ফলে এই পার্কের উন্নয়ন কাজটা বন্ধ হয়ে যায়। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পরে তাদের সঙ্গে বিভিন্নভাবে আলোচনা করেছি, দেন-দরবার করেছি। এর ফলশ্রুতিতে তারা সুনির্দিষ্ট জায়গায় কাজ করবে। বাকি জায়গা আমাদের ছেড়ে দিয়েছে। সেই জায়গায় আমরাই কাজ শুরু করেছি। বর্তমানে এটার অবকাঠামো উন্নয়ন চলছে।


এ সময় অন্যদের মধ্যে করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী আশিকুর রহমান, অঞ্চল-১ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা কায়জার মোহাম্মদ ফারাবী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. খায়রুল বাকের, নির্বাহী প্রকৌশলী ড. সফিউল্লাহ সিদ্দিক ভুঁইয়া ও সাইফুল ইসলাম জয়, স্থানীয় ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান আসাদ, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বাবুল এবং সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর নারগিস মাহতাব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এআর-১৭/০৪/২৪

Share your comment :