পৃথক অভিযানে হত্যা মামলার দুই আসামি গ্রেপ্তার

পৃথক অভিযানে হত্যা মামলার দুই আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই এলাকায় চাঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস আমজাদ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত পলাতক অন্যতম প্রধান আসামি মো. ফারুক মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই এলাকার আওয়াল মিয়ার ছেলে।

এছাড়া ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল এলাকায় যৌতুকের টাকা না দেওয়ায় গৃহবধূ হত্যাকান্ডে সরাসরি জড়িত পলাতক প্রধান আসামি ভিকটিম রেখার স্বামী মো. তাইজুল ইসলাম লিমনকে
নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাব-১০ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে।

শুক্রবার সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয় ।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৮ মে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানার মোড়াকরি এলাকার আমজাদ হোসেন নয়ন (৪৭ )নিখোঁজের ঘটনা ঘটে। তার পরিবারের লোকজন সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজাখুজি করতে থাকে। গত ১১ মে লাখাই থানা পুলিশ জানতে পারে যে, মোড়াকরি এলাকার পিলখানা নামক একটি হাওরে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পঁচা-গলা অজ্ঞাতনামা একজন ব্যক্তির লাশ পাওয়া গিয়েছে।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উক্ত অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির লাশ স্থানীয় লোকজনদের সহযোগিতায় উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে লাশ ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ জেলা হাসপাতালে প্রেরণ করেন । এ ঘটনার লাখাই থানায় কর্মরত এসআই মৃদুল কুমার ভৌমিক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামি ফারুক তার মা, বোনসহ ৫ জন মিলে পরিকল্পিতভাবে আমজাদকে হত্যা করে। পরবর্তীতে আমজাদের লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে হাত-পা বেঁধে বস্তাবন্দী করে লাখাই থানাধীন মোড়াকরি এলাকার পিলখানা নামক হাওরে গর্ত করে মাটিতে পুতে রাখে।

এছাড়া যৌতুকের টাকা না দেয়ায় স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ি মিলে ৩ মাসের অন্তঃসত্তা গৃহবধু রেখা আক্তারকে শারিরীক নির্যাতন ও শ্বাররোধ করে হত্যা করে। পরে লাশ বেওয়ারিশ বলে চালিয়ে দেয়ার জন্য তাদের নিজ উপজেলা হাসপাতালে না নিয়ে পাশ্ববর্তী ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে ভিকটিম রেখার লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
এআর-১৭/০৫/২৪

Share your comment :