ডিএসইতে দূর্নীতি, তদন্ত চেয়ে দুদকে আবেদন
- বাংলাকন্ঠ রিপোর্ট
- প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৬ PM , আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৬ PM
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পিএলসির কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা এবং এক পরিচালকের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়ম, ইনসাইডার ট্রেডিং, গোপন তথ্য পাচার এবং কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুদক চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো অভিযোগপত্রে এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন শেয়ারবাজারের সাধারণ বিনিয়োগকারী ও সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষে হাসান মাসুদ।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ডিএসইর প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) আসাদুর রহমানকে প্রচলিত নিয়োগ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে বিধিবহির্ভূতভাবে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ইনসাইডার ট্রেডিংয়ে সম্পৃক্ততা, একাধিক বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাব ব্যবহার করে শেয়ার লেনদেন, বেনামে ব্রোকার হাউস ক্রয় এবং বিভিন্ন কেনাকাটায় কমিশন গ্রহণের অভিযোগও আনা হয়েছে।
এছাড়া ডিএসইর জেনারেল ম্যানেজার ছামিউল ইসলামের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতি এবং যৌথ ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জেনারেল ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, সাইদ মো. জুবায়ের এবং হাসানুল করিমকে পরিচালনা পর্ষদের সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদন ছাড়াই পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিনিয়োগকারীদের প্রায় ৩০০ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় সহায়তা, ইনসাইডার ট্রেডিং এবং বিনিয়োগকারীদের গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগও উত্থাপন করা হয়েছে।
এছাড়া ডিএসইর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে নিয়ম লঙ্ঘন, স্বজনপ্রীতি এবং অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ তুলে আরও কয়েকজন কর্মকর্তার নাম অভিযোগপত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগকারী দুদকের কাছে এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের আবেদন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে অভিযোগে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তদন্ত কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপেরও অনুরোধ জানানো হয়েছে।