অন্তরঙ্গ দৃশ্য নিয়ে মুখ খুললেন কিয়ারা
- বিনোদন ডেস্ক
- প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৩ PM , আপডেট: ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৩ PM
ভারতের দক্ষিণী সুপারস্টার যশের বিপরীতে ‘টক্সিক: অ্যা ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন আপস’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি। সিনেমাটিতে তার কিছু ঘনিষ্ঠ ও সাহসী দৃশ্য প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।
একাংশ নেটিজেনের দাবি, মা হওয়ার পর এমন চরিত্রে অভিনয় করা কিয়ারার জন্য উপযুক্ত হয়নি। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তাকে কটাক্ষ ও ট্রলেরও মুখোমুখি হতে হয়েছে।
তবে সমালোচনার জবাব দিয়েছেন কিয়ারা নিজেই। সম্প্রতি দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, গল্পের প্রয়োজন এবং চরিত্রের গভীরতাই তাকে ‘টক্সিক’-এর মতো চ্যালেঞ্জিং প্রকল্পে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করেছে।
চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের মতে, ‘টক্সিক: অ্যা ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন আপস’ কিয়ারা আদভানির ক্যারিয়ারের অন্যতম সাহসী ও বৈচিত্র্যময় কাজ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের যুক্ত হওয়ার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে কিয়ারা বলেন, ‘গল্পটা প্রথম যখন শুনি, তখনই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। আমার চরিত্রটি সুন্দর ভাবে তৈরি করা হয়েছে, একজন অভিনেত্রী হিসেবে এমন চরিত্রই তো সব সময় খুঁজি। আমার মনে হয়েছিল, ক্যারিয়ারের এমন এক জায়গায় পৌঁছেছি, যেখানে এমন কঠিন একটি চরিত্র করার আত্মবিশ্বাস এসেছে।’
যদিও চলচ্চিত্রে কিয়ারার মূল চরিত্রটি ঠিক কেমন, তা নিয়ে নির্মাতাদের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তবে পর্দায় যশের বিপরীতে ‘নাদিয়া’ চরিত্রে তার উপস্থিতিও সাহসী দৃশ্যগুলো এরই মধ্যে দর্শক ও অনুরাগীদের নজর কেড়েছে। নারী চরিত্রের প্রচলিত রূপরেখা প্রসঙ্গে নিজের শক্ত অবস্থানের কথা তুলে ধরে কিয়ারা জানান, তিনি কখনোই চান না কোনো নারী চরিত্রকে একটি নির্দিষ্ট ছকে বেঁধে রাখা হোক।
অভিনেত্রীর ভাষ্য, ‘আমি চাই না, নারীদের এক ধরনের চরিত্রে আটকে রাখা হোক। আমরা তার চেয়ে অনেকটা এগিয়ে। তাহলে পর্দার চরিত্রও কেন তেমন হবে না?’ তিনি মনে করেন, পর্দায় নারী চরিত্রগুলোর উপস্থাপন হওয়া উচিত বেশ শক্তিশালী ও স্বতন্ত্র, আর ‘টক্সিক’-এর চরিত্রটি ঠিক তেমনই এক নির্মাণ।
উল্লেখ্য, ‘টক্সিক: অ্যা ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন আপস’ সিনেমার চিত্রনাট্য যৌথভাবে লিখেছেন অভিনেতা যশ ও নির্মাতা গীতু মোহনদাস। ছবিটি পরিচালনাও করেছেন গীতু মোহনদাস।
প্রযোজনা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সিনেমাটি শুরু থেকেই ইংরেজি ও কন্নড়—এই দুই ভাষায় একযোগে নির্মাণ করা হয়েছে। পরে এটি হিন্দি, তেলুগু, তামিল, মালয়ালমসহ আরও কয়েকটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ভাষায় ডাব করে বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেওয়া হবে।