তিশার জামিনের মেয়াদ বাড়ল

তিশা
  © সংগৃহীত

প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। শুনানি শেষে আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করেছেন।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তানজিন তিশা। পরে শুনানি শেষে আদালত তার জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আদেশ দেন।

২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়িকে কেন্দ্র করে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে মামলাটি করা হয়।

আদালত থেকে বের হয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত বিভিন্ন পোস্ট ও স্টোরি শেয়ার করতে হয়। ভক্ত ও সহকর্মীদের কাছ থেকে পাওয়া উপহারও অনেক সময় ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে গ্রহণ করেন তারা। এমনই একটি উপহারকে কেন্দ্র করে তাকে মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে।

তিশার ভাষ্য, পরিচিত এক বড় বোনের মাধ্যমে তিনি শাড়িটি উপহার হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক ছিল। ওই ব্যক্তি তাকে শাড়িটি নিতে বললে তিনি রাজি হন এবং পরে ছবি দেওয়ার অনুরোধও করা হয়। তিশা তখন জানান, সময় করে ছবি দেবেন।

তবে ওই সময় ‘সোলজার’ সিনেমার শুটিংয়ের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত থাকায় ছবি দেওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানান তিশা। তিনি বলেন, বারবার ছবি দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন এবং এজন্য শাড়িটির সঙ্গে পরার জন্য ব্লাউজও তৈরি করে রেখেছিলেন। এর মধ্যেই হঠাৎ জানতে পারেন, তাকে প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত করে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে।

তিশা জানান, ‘সোলজার’ সিনেমার শুটিং শুরুর দুই দিন পর ঘটনাটি ঘটে। শুটিংয়ের ব্যস্ততার মধ্যেই পুরো বিষয়টি সামনে আসে। কারা বা কেন তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনেছে, তা জানতে আগ্রহী নন বলেও জানান তিনি।

অভিনেত্রী বলেন, অভিযোগ করার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা চাইলে তার সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারতেন। এখন বিষয়টি নিয়ে আর কারও উদ্দেশ্য বা কারণ জানতে চান না তিনি। তার প্রত্যাশা, আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি ন্যায়বিচার পাবেন।

আদালত থেকে বের হওয়ার সময় তিশা আরও বলেন, প্রয়োজন হলে তিনি একাধিকবার আদালতে আসতেও প্রস্তুত। তার বিশ্বাস, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তিনি ন্যায়বিচার পাবেন। একইসঙ্গে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরোধিতা করে বলেন, দেশের একজন নাগরিক হিসেবে তারও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে।

 


মন্তব্য