খামেনির জানাজায় লোকারণ্য

খামেনি
  © সংগৃহীত

নিহতের দীর্ঘ ৪ মাস পর ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ৬ দিনব্যাপী চলবে এই অনুষ্ঠান। আজ শনিবার (৪ জুলাই) জানাজার প্রথম দিনে সাবেক সর্বোচ্চ নেতার প্রতি সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এ মধ্যে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা ও আশপাশের সড়কগুলোতে জড়ো হয়েছে লাখ লাখ সমর্থক।

এদিকে খামেনির দাফন প্রক্রিয়ায় যোগ দিতে গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে পৌঁছানোর জন্য তেহরানের মেট্রো স্টেশনগুলোর বাইরে উপচে পড়া ভিড় দেখা যাচ্ছে।

ইরানের সংবাদ সংস্থা আইএসএনএর অনলাইনে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, শোকের পোশাক পরা বিপুলসংখ্যক ভক্ত বন্ধ স্টেশনের গেটের সামনে জড়ো হয়েছেন। তারা গেট খোলার অপেক্ষায় রয়েছেন।

এদিকে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। শ্রদ্ধা জানানোর সময় তারা আবেগাপ্লুত হয়ে অঝোরে কেঁদেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের কান্নার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সপ্তাহব্যাপী দাফন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শুক্রবার তেহরানে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সময় পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

তেহরানের গভর্নর মোহাম্মদ সাদেক মোতামাদিয়ান বলেন, শহীদ নেতার বিদায় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আমরা সর্বোচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করব। আগামীকাল ঠিক সকাল ৬টায় তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লার দরজা সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে। এর আগে কোনোভাবেই তা খোলা হবে না। লোকজনকে এই সময় অনুযায়ী সেখানে আসার পরিকল্পনা করতে হবে।

প্রেস টিভি জানিয়েছে, আয়াতুল্লাহ খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তা, রাষ্ট্রপ্রধান, বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং বিভিন্ন দেশের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: আল জাজিরা


মন্তব্য