কী হচ্ছে দিল্লিতে
- বাংলাকণ্ঠ ডেস্ক
- প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৩ PM , আপডেট: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৩ PM
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্ম ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজধানীর অন্তত ১৬টি মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ করেছে দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি)।
বুধবার (২২ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, নিরাপত্তার স্বার্থে রাজীব চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, মান্ডি হাউস, আইটিও, খান মার্কেটসহ ১৬টি স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা বন্ধ রাখা হয়েছে।
ডিএমআরসি এক্সে (সাবেক টুইটার) জানায়, লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চক, প্যাটেল চক, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ, বারাখাম্বা রোড, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, আইটিও, দিল্লি গেট, ইন্দ্রপ্রস্থ, খান মার্কেট, জোর বাগ ও শিবাজি স্টেডিয়াম স্টেশন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তবে রাজীব চক, মান্ডি হাউস ও সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েটে ইন্টারচেঞ্জ সুবিধা চালু রয়েছে।
এর আগে নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে সংসদ অভিমুখে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করে সিজেপি। ওই কর্মসূচিতে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণের পর সোমবারও দিল্লির কয়েকটি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছিল।
এদিকে বিক্ষোভ দমনে পুলিশের ভূমিকার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করতে গিয়ে তিনি গ্রেপ্তার হন। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
গ্রেপ্তারের পর প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় রাহুল গান্ধী কেন্দ্র সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি জানান। তিনি নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পদত্যাগ দাবি করেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার, বিক্ষোভ দমনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমা প্রার্থনা, সংসদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা এবং দ্রুত শিক্ষা ও পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের আহ্বান জানান।
মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে রাহুল গান্ধীর পাশাপাশি কংগ্রেস নেতা প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভাদরা এবং দলের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতাকেও দিল্লি পুলিশ আটক করেছিল। রাহুলকে ছত্রসাল স্টেডিয়ামে এবং প্রিয়াঙ্কাকে মন্দির মার্গ থানায় নেওয়া হয়। পরে রাতের দিকে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়।
সূত্র: এনডিটিভি