২০২৭ সালের হজে আরও ২০ হাজার কোটা চায় হাব

হাব
  © সংগৃহীত

২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের জন্য আরও ২০ হাজার হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)। নির্ধারিত কোটার বাইরে অপেক্ষমাণ প্রায় ২০ হাজার হজযাত্রীর হজ পালনের সুযোগ নিশ্চিত করতে সৌদি সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিত হজযাত্রীদের আগামী ৭ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে প্যাকেজের বাকি অর্থ জমা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আজ সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার লিখিত বক্তব্যে এসব দাবি ও আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন সংগঠনটির সভাপতি সৈয়দ গোলাম সারওয়ার।

লিখিত বক্তব্যে হাব জানায়, ২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের জন্য সৌদি সরকার ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা নির্ধারণ করেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই কোটা পূর্ণ হলেও আরও প্রায় ২০ হাজার হজযাত্রী অপেক্ষমাণ রয়েছেন। তাঁদের হজ পালনের সুযোগ করে দিতে অতিরিক্ত কোটা বরাদ্দের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

হাবের মতে, অপেক্ষমাণ হজযাত্রীদের হজ পালনের সুযোগ নিশ্চিত করতে সৌদি সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও তৎপরতা জোরদার করা জরুরি।

সংবাদ সম্মেলনে চলতি বছরের হজ কার্যক্রমে মেডিকেল ফির নামে আটকে রাখা প্রায় ৩০ লাখ সৌদি রিয়াল ফেরত পাওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়। হাব জানায়, সংশ্লিষ্ট অর্থ ইতোমধ্যে ফেরত পাওয়া গেছে। এ অর্থ ফেরত পেতে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সংগঠনটি। একই সঙ্গে বকেয়া অবশিষ্ট অর্থ দ্রুত ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

২০২৭ সালের হজযাত্রীদের নিবন্ধন প্রসঙ্গে হাব জানায়, প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিত যাত্রীদের আগামী ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্ধারিত হজ প্যাকেজের সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করতে হবে। এ সময়ের মধ্যে অর্থ জমা দিয়ে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন না করলে তাঁদের প্রাথমিক নিবন্ধন বাতিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে সংশ্লিষ্ট হজযাত্রীদের হজযাত্রা অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে হজ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সৌদি সরকার ও সৌদি দূতাবাস, বাংলাদেশ দূতাবাস এবং ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়।

আগামী বছরের হজ কার্যক্রম সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে গণমাধ্যমের সহযোগিতাও কামনা করে হাব।


মন্তব্য