শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
- নিজস্ব প্রতিবেদক
- প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৭ PM , আপডেট: ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৭ PM
কক্সবাজারের টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে আট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং গ্রেপ্তার থাকা তিন আসামিকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (২৬ জুলাই) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে শুনানি করেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন। তিনি অভিযোগের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে আদালতের কাছে ফরমাল চার্জ গ্রহণের আবেদন জানান।
শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেপ্তার থাকা আসামিদের আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি পলাতক আট আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২৫ আগস্ট দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।
মামলার আসামিরা হলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, মেজর রুহুল আমিন, সেনা কর্মকর্তা নাজমুস সাকিব, সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি এবং সেনা কর্মকর্তা আশিকুর রহমান।
এর মধ্যে অন্য মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন আবদুর রহমান বদি, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহাবুব আলম।
এর আগে সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ২৬ মে রাতে কক্সবাজারের টেকনাফে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন টেকনাফ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি একরামুল হক। ঘটনার পর তার মেয়ের আবেগঘন অডিও রেকর্ড- “আব্বু, তুমি কান্না করতেছ যে”- দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।