জেল ছাড়া লাগাই দিতাম: নায়লা
- বিনোদন ডেস্ক
- প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫৯ PM , আপডেট: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৭:১৮ PM
শোবিজ অঙ্গনের আলোচিত মডেল ও অভিনেত্রী নায়লা নাঈম। কাজের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সরব তিনি। প্রায়ই ভক্তদের মাঝে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।
সম্প্রতি ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড একাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এমনই এক অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই মডেল।
নায়লা নাঈম বলেন, ‘ব্যস্ত রাস্তার পাশে আমড়া এবং পেয়ারা নিয়ে ফেরিওয়ালা বসেছিল। একজন মধ্যবয়স্ক লোক আমড়া কিনছিল। উনি প্রত্যেকটা আমড়া পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে একটা একটা করে বুঝে শুনে কিনছিলেন। সেটা নিয়ে আমার কোন আপত্তি নাই। উনি উনার জিনিস দেখে শুনে কিনবেন এটাই স্বাভাবিক। আমার হাত চলে মেশিনের মত। আমি বসে টপাটপ বেছে ৪টা পেয়ারা আলাদা করে ফেললাম যাতে প্রায় এক কেজি পরিমাণ হবে। বিক্রেতাকে বললাম একটা পলিথিন দিতে। মধ্যবয়স্ক ভদ্রলোক আমড়া নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছিলাম। এর মধ্যে বিক্রেতা আমাকে পলিথিন দিতে গেলে উনি আমার উপর চড়াও হলেন।’
তিনি বলেন, ‘আমি কিনছি আপনি মাঝখান থেকে ঢুকলেন কেন আমি কথা না বাড়িয়ে পেয়ারাগুলো পলিথিনে ঢুকিয়ে ওজনের মিটারে বসিয়ে দিলাম। বরাবর ১ কেজি। ২০০ টাকার নোট দিয়ে ১০০ টাকা ফেরত দিতে বললাম দোকানিকে। এবার ভদ্রলোক আমাকে ম্যানারলেস, অশিক্ষিত, যত ধরনের কথা আছে সব বলা শুরু করলেন। কেন আমি সে কিনছে মাঝখান থেকে কেনা শুরু করলাম... এটার জন্য তার পারমিশন নিলাম না।’ আমি
এই মডেল বলেন, ‘তাও চুপ রইলাম। বুঝলাম সে সম্ভবত সরকারি চাকুরে ছিলেন। টাকা ফেরত নিয়ে উঠে দাঁড়ালাম। সেকেন্ডের মধ্যে ভাবলাম যদি লোকটাকে দুই বাচ্চার মা... বাচ্চা স্কুল থেকে আনতে হবে... বাসায় গিয়ে রান্না করতে হবে এই ধরনের এক্সকিউজ দিতাম লোকটা হয়তো খুশিতে গদগদ হয়ে যেত।’
‘লোকটা চিৎকার করে যাচ্ছে এবার রীতিমত। আমি নির্বাক। সম্ভবত সেটাই তার রাগের কারণ। দোকানি তাকে থামানোর চেষ্টা করেই যাচ্ছে।
আর নিতে পারলাম না। আমার দোষটাই বুঝলাম না।’
নায়লা বলেন, বেছে নিলাম আমি, প্যাকেট করলাম আমি, ওজন দিলাম আমি... তার ডিস্টার্ব কীভাবে হলো বুঝলামই না!
তিনি আরও বলেন, ‘ঠিক লোকটার ফেইস এর সামনে হাতের মাঝখানের আঙ্গুলটা বের করে বললাম... ভাগ্য ভালো আপনি মেয়ে মানুষ না। মেয়ে মানুষ হলে এতক্ষণে আপনাকে জেল ছাড়া লাগাই দিতাম!’
আর প্রত্যেকটা আমড়ার উপর যেহেতু আপনার পিএইচডি করতে হচ্ছে আপনি সুপারশপে গিয়ে সারাদিন লাগিয়ে বাজার করুন না! কেন আপনার অন্য মানুষকে বিরক্ত করতে হচ্ছে? পিঁপড়ার মত হাত চালাচ্ছেন কেন? হাত চালাবেন মেশিনের মত! যাতে অন্য মানুষ বিরক্ত না হয়।
সবশেষ তিনি বলেন, ‘ভদ্রলোক সম্ভবত আমাকে অবলা নারী ভেবেছিল। উনার মুখ থেকে আরেকটা টু শব্দ বের হয়নি!’