প্রথম বাড়ি কেন বন্ধক রেখেছিলেন দিয়া?
- বিনোদন ডেস্ক
- প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৩ PM , আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৩ PM
বলিউড অভিনেত্রী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরুর প্রায় এক দশক পর প্রযোজনায় নাম লেখান দিয়া মির্জা। তবে অভিনেত্রী থেকে প্রযোজক হওয়ার যাত্রাটি মোটেও সহজ ছিল না তার। নিজের প্রযোজনায় সিনেমা নির্মাণ করতে গিয়ে আর্থিক সংকটের মুখেও পড়তে হয়েছিল তাকে।
২০০১ সালে ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক হয় দিয়া মির্জার। এরপর অভিনয়ের পাশাপাশি ২০১৪ সালে প্রযোজনায় পা রাখেন তিনি। সে বছর নিজের প্রযোজনায় ‘ববি জাসুস’ সিনেমাটি নির্মাণের উদ্যোগ নেন এই অভিনেত্রী।
নারীপ্রধান গল্পের সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য রাজি হন বিদ্যা বালান। কিন্তু শুটিং শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে সিনেমাটির সব বিনিয়োগকারী সরে দাঁড়ান। এতে পুরো প্রকল্পটি অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে এবং বড় ধরনের আর্থিক চাপে পড়েন দিয়া।
প্রকল্পটি থেমে যেতে না দিতে শেষ পর্যন্ত নিজের প্রথম কেনা বাড়িটি বন্ধক রাখতে হয় তাকে। পাশাপাশি ব্যাংক থেকেও ঋণ নেন অভিনেত্রী। নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত সিনেমাটির কাজ এগিয়ে নেন তিনি।
পরে সেই ঋণের বোঝা পরিশোধ করে নিজের বাড়িটিও ফিরে পান দিয়া মির্জা। ‘ববি জাসুস’ তাই শুধু তার প্রযোজক হিসেবে অভিষেকের সিনেমাই নয়, ব্যক্তিগতভাবেও কঠিন এক লড়াইয়ের স্মৃতি হয়ে রয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে হাল না ছেড়ে কেনা বাড়িটি বন্ধক রেখে ও ব্যাংকঋণ নিয়ে সিনেমার কাজে হাত দেন দিয়া মির্জা। সেই সিনেমাটি মুক্তির পর বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জন করতে ব্যর্থ হয়। তবে সিনেমাটি নিজের মনের মতো করে নির্মাণ করতে পেরে সন্তুষ্ট ছিলেন অভিনেত্রী। সিনেমা ব্যবসার ক্ষতি সামলে পরে নিজের কাজের মাধ্যমে ধীরে ধীরে ব্যাংকের ঋণ শোধ করেন এবং বন্ধক রাখা বাড়িটিও ছাড়িয়ে নেন এ বলিউড অভিনেত্রী।
‘ববি জাসুস’ সিনেমাটি করতে গিয়ে নারী হওয়ার কারণে তাকে নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছিল বলেও জানান দিয়া মির্জা। তিনি বলেন, প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পর তাকে অভিনয়ে কাজ পেতেও বেশ বেগ পেতে হয়েছিল। কোনো পুরুষ অভিনেতা এই কাজ করলে তিনি মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক পেতেন, তাই নারী অভিনেত্রীদের ক্ষেত্রেও একই সম্মান বজায় রাখা উচিত বলে জানান এ অভিনেত্রী।
দিয়া বলেন, আমি আমার প্রথম কেনা বাড়িটি বন্ধক রেখেছিলাম। যে গল্পটা বলতে চেয়েছিলাম, সেটি লেখা হয়ে গিয়েছিল। বিদ্যা বালানের মতো অসাধারণ একজন শিল্পী আমার সিনেমায় অভিনয় করতে রাজি হয়েছিলেন। একটা টিমও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ বিনিয়োগকারীরা সরে গেলেন।