বিমানে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স
- বাংলাকন্ঠ রিপোর্ট
- প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৫ PM , আপডেট: ০৩ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৫ PM
সরকার বিমান পরিবহন খাতে যেকোনো ধরনের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।
সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইএটিএ) আঞ্চলিক ভাইস প্রেসিডেন্ট শেজডন হি। বৈঠকে বিমান খাতের উন্নয়ন, পর্যটন সম্প্রসারণ এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে আইএটিএর আঞ্চলিক ভাইস প্রেসিডেন্ট বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অধীনস্থ বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স টেকনিক্যাল সেন্টার (বিএটিসি)-কে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
আফরোজা খানম বলেন, টিকিট সিন্ডিকেট দমনে সরকার ইতোমধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে আইএটিএর কারিগরি সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, বিমান খাতে স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে সরকার দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, পরিবেশবান্ধব বিমান পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বেসামরিক বিমান চলাচল অধ্যাদেশে কার্বন নিঃসরণ হ্রাসসংক্রান্ত পৃথক ধারা যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি টেকসই এভিয়েশন ফুয়েল (এসএএফ) ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া আকাশপথে অপরাধ দমনে মন্ট্রিল প্রোটোকল-২০১৪ গ্রহণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
বৈঠকে দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক আকাশ যোগাযোগ সম্প্রসারণ এবং বিমান পরিবহন খাতের সক্ষমতা বাড়াতে সরকার ও আইএটিএর মধ্যে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হয়।